
নেপালের নুওয়াকোট জেলার কালপনা মাল্লা বলেন, ‘আমার পরিবারের সদস্যদের চোখের সামনে বন্যার পানি ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। বাবা, মা, বোন এবং বোনের সন্তানদের সবাই পানির স্রোতে ভেসে গেছে।’
তিনি বলেন, ‘তারা বন্যার পানি থেকে বের হতে পারেননি। কোনো সুযোগই ছিল না। এই বন্যা সবকিছু নিয়ে গেছে। কিন্তু আমি ও আমার ছেলে একটি বাড়ির ছাদে উঠে বেঁচে গেছি। কীভাবে বেঁচে গেলাম, তা নিয়ে বেশি বলতে পারব না।’ তার ছেলে সুগাম মাল্লা বলেন, তিনি মায়ের হাত ধরে নিজেকে রক্ষা করেন।
তিনি বলেন, ‘বন্যার আগে আমার ফোনটি বোনের কাছে দিয়েছিলাম। কিন্তু এখন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না, মোবাইল বন্ধ। আমার ভয় হচ্ছে, সেও হয়তো পানির স্রোতে ভেসে গেছে।’
আরেক নারী গোমা পণ্ডিত বলেন, ‘তাঁর মহিষ ও অন্যান্য সব গবাদিপশু হারিয়ে গেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার কৃষিজমির ফসলও পানির স্রোতে ভেসে গেছে। ১০ বস্তা সরিষার বীজ, টন টন ভুট্টা ও ধানের শস্য— সবই চলে গেছে। কিছুই অবশিষ্ট নেই।’



