ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরম মসলার বাজার এখন জমজমাট। খুচরা দোকানি ও বনেদি পরিবারগুলো ভিড় করছেন খাতুনগঞ্জের পাইকারি মসলার বাজারে। বৈধ অবৈধ পথে আসা এলাচ, জিরা, দারুচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচে বাজার সয়লাব। কয়েক মাস ধরে গরম মসলার বাজার স্থিতিশীল থাকলেও গোটা মরিচের দাম বেড়েছে কেজিতে অন্তত ৫০ টাকা।বকশির হাটের প্রসিদ্ধ খুচরা মসলার দোকান নিউ সততা স্টোরের মালিক দেলোয়ার হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, ভারতের এলাচ ৪ হাজার ৮০০ টাকা, আমেরিকান এলাচ ৪ হাজার ২০০ টাকা, শ্রীলংকার স্পেশাল দারুচিনি ১ হাজার ৫০ টাকা, ভিয়েতনামের ৪৮০ টাকা, লবঙ্গ ১ হাজার ৪৮০ টাকা, ভারতের চিকন জিরা ৬২০, মিষ্টি জিরা ২২০ টাকা, বাদাম ১৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
তিনি জানান, ২-৩ মাস আগে ভারতের মরিচ খুচরায় বিক্রি হতো ৩৬০ টাকার এখন ৪২৫ টাকা।
পাশের বিসমিল্লাহ স্টোরের মালিক জিয়াবুল ইসলাম জানান, গুয়েতেমালার এলাচি ৪ হাজার ৮০০ টাকা, লবঙ্গ ১ হাজার ৪৮০ টাকা, দারুচিনি ৫০০ টাকা, টাইগার চিকনজিরা ৬০০ টাকা, মিষ্টি জিরা ২২০-২৫০ টাকা, জৈত্রিক ২ হাজার ৯০০ টাকা, জায়ফল ৮৫০-৯০০ টাকা, সাদা গোলমরিচ ১ হাজার ৪০০ টাকা, কালো গোলমরিচ ১ হাজার ২০০ টাকা, টক আলু বোখরা ১ হাজার ৫০০ টাকা, মিষ্টি আলুবোখরা ৪৮০ টাকা, কাঠবাদাম ১ হাজার ৩০০ টাকা।
খাতুনগঞ্জের সালাম ট্রেডার্সে পাইকারিতে এলাচি ৩ হাজার ৭২০ থেকে ৪ হাজার ৪০০ টাকা, চিকন জিরা ৫৩৫, মিষ্টি জিরা ১৬৩, দারুচিনি ৪১০, কালো গোলমরিচ ১ হাজার ১০, লবঙ্গ ১ হাজার ২৮০ টাকা।
হামিদউল্লাহ মার্কেটের মেসার্স হাজি মোহাম্মদ ইসহাক সওদাগর নামের মসলার দোকানে এলাচ ৩ হাজার ৭৫০ থেকে ৫ হাজার টাকা, চিকন জিরা ৫২৫ থেকে ৫৩৫, মিষ্টি জিরা ১৬৫-১৭০, সাদা গোল মরিচ ১ হাজার ২২০ টাকা, কালো গোলমরিচ ১ হাজার ১০, দারুচিনি ৩৫০-৪২০, ভারতের মরিচ ৩৩৫-৩৮৫ টাকা, হাটহাজারীর মরিচ ৪০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
খাতুনগঞ্জের ফারুক ট্রেডার্সের মালিক ফারুক আহমদ জানান, ভারতের কম ঝালের মরিচ ৩৯০ টাকা, ঝাল মরিচ ৩৪০ টাকা। হাটহাজারীর মরিচ ৪০০ টাকা। দেশি গোটা হলুদ ১৮০ টাকা, ভারতের ২১৫ টাকা, দেশি গোটা ধনিয়া মানভেদে ১২০-১৫০ টাকা।



