
বগুড়ায় দূর্গ ধরেই রাখলো বিএনপি। বিপুল পরিমান ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন তারেক রহমানসহ বিএনপির ৭ প্রার্থীই। ভোটের মাঠ থেকেই জয়ের সুবাস পেয়ে আসছিলো বিএনপির প্রার্থীরা। ভোট গ্রহণের পর ফলাফলে কাঙ্খিত ফলাফল পেয়েছে বগুড়ার বিএনপি।
আসনগুলোর মধ্যে বগুড়া-৬ আসনের প্রার্থী বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আবিদুর রহমান পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট।
অন্যদের মধ্যে হাতপাখা প্রতীকের আবু নুমান মো. মামুনুর রশিদ ২ হাজার ৫০৮, বাসদের দিলরুবা নুরী মই প্রতীকে ২৭৬ এবং জেএসডির আব্দুল্লাহ আল ওয়াকি তারা প্রতীকে ২৭৬ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে ১৫০টি কেন্দ্রে ৩ লাখ ১৭ হাজার ৪৮৯ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট পড়েছে শতকরা ৭১ দশমিক ৩ শতাংশ।
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা): বিএনপির প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮৬১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. শাহাবুদ্দিন পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯৩৩ ভোট।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ): বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলম ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট। জাতীয় নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না কেটলি প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৪২৬ ভোট। এ আসনে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৮০২ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন। শতকরা ৭২ দশমিক ৬৩ শতাংশ ভোট প্রদান করেছেন।
বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদীঘি): বিএনপির প্রার্থী আব্দুল মহিত তালুকদার ১ লাখ ২৭ হাজার ৪০৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নূর মোহাম্মদ পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৬ ভোট। এই আসনে ১১৮টি কেন্দ্রে ২ লাখ ৪১ হাজার ৭১৬ জন ভোট প্রদান করেন। ভোট পড়েছে ৭২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম): বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াত প্রার্থী মোস্তফা ফয়সাল পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৯৭৮ ভোট। এ আসনে ১১৫টি কেন্দ্রে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৩৭৮ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। শতকরা ৭৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ ভোট প্রদান করেন।
বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট): বিএনপির জিএম সিরাজ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী দবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৯ ভোট। এ আসনে ৪ লাখ ৬৪৪ জন ভোটার ভোট দেন, যা শতকরা ৭১ দশমিক ৫০ শতাংশ।
বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর): বিএনপির প্রার্থী মোর্শেদ মিলটন ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের গোলাম রব্বানী পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ১৮৪ ভোট। ১৭৩টি কেন্দ্রে ৩ লাখ ৮০ হাজার ২৫০ জন ভোটার ভোট দেন, যা শতকরা ৭১ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: তৌফিকুর রহমান জানান, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ ও গণনা শেষ হয়েছে, ফলাফল অনুযায়ী সাতটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। পরে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।



