ফুটপাত হবে হাঁটার পথ, হবে হকারদের জন্য সুনির্দিষ্ট জোন: ডিএনসিসি প্রশাসকের নতুন পরিকল্পনা
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)’র বর্তমান প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন কেবল একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নন, বরং রাজপথের লড়াকু ও পরীক্ষিত এক জননেতা। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এবং প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এর আগে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক এবং বৃহত্তর মিরপুর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব সর্বজনবিদিত।
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট পেয়ে তিনি এক বিশাল জনসমর্থনের প্রমাণ দিয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের মতো হেভিওয়েট প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সম্মানজনক ভোট পেলেও সামান্য ব্যবধানে ফলাফল তাঁর প্রতিকূলে যায়। তবে এই নির্বাচনী ফলাফল তাঁকে দমাতে পারেনি; বরং মিরপুরবাসীর কাছে তিনি আজ এক অপরাজেয় আস্থার নাম।
প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ডিএনসিসি’র তহবিল সংক্রান্ত বিভ্রান্তি দূরীকরণ, নাগরিক সেবায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি যেসব সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। আজ এই লড়াকু ব্যক্তিত্বের মুখোমুখি হয়েছে ‘ভালো সংবাদ’। তাঁর সাথে কথা বলেছেন ভালো সংবাদের নিউজ এডিটর এম আর জান্নাত স্বপন।
ভালো সংবাদ: ডিএনসিসি’র প্রশাসকের দায়িত্ব নেওয়ার পর আপনার প্রথম কয়েক সপ্তাহের অভিজ্ঞতা কেমন? কোন বিষয়টিকে আপনি সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং মনে করছেন?
ডিএনসিসি প্রশাসক: আমি গত ফেব্রুয়ারি মাসের ২৫ তারিখে যোগদান করেছি। যেদিন প্রথম অফিসে যাই, সেদিনের অনুভূতিটা একটু ভিন্নই ছিল। কিন্তু যোগদানের পর থেকেই কাজের যে ব্যস্ততা, তাতে ওই অনুভূতিটা এখনো ওভাবে বুঝে উঠতে পারছি না। কারণ অফিশিয়াল কাজের বাইরেও সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন জোনে চলমান প্রকল্পগুলো আমাকে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে হয়। এটা সম্মানের জায়গা এবং একটা বিশাল বড় দায়িত্বশীল পদে থেকে কাজ করার সুযোগ; এটা আমার কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি।
ভালো সংবাদ: সামনে বর্ষা মৌসুম। ঢাকা উত্তরের চিরচেনা জলাবদ্ধতা দূর করতে আপনার বিশেষ কোনো ‘মাস্টার প্ল্যান’ বা তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ আছে কি?
ডিএনসিসি প্রশাসক: ঢাকা শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মশা এবং জলাবদ্ধতা—এই তিনটি বিষয় নিয়ে আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। বর্ষার প্রস্তুতি হিসেবে এখনই ড্রেনেজ ব্যবস্থা দেখভালের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের নিয়ে দফায় দফায় মিটিং করে একটি ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ দিয়েছি। ঢাকা উত্তরে ২৯টি খাল আছে, যেগুলো পরিষ্কার করার কাজ পর্যায়ক্রমে চলমান। কিছু খালের মুখ একদম বন্ধ হয়ে গেছে, পানি নিষ্কাশনের মূল পথগুলো খনন করা হচ্ছে। তবে একটি বিষয়ে আমি এলাকাবাসীর সচেতনতা কামনা করি। আমরা খাল পরিষ্কার করছি, কিন্তু কয়েকদিন পরই দেখি আবার সেখানে প্লাস্টিক বা রান্নার আবর্জনা ফেলা হয়েছে। সবাই যদি একটু সচেতন হয়ে সরাসরি খালে ময়লা ফেলা বন্ধ করেন, তবে আমাদের কাজটা অনেক সহজ হয়ে যায়।
ভালো সংবাদ: ডিএনসিসি’র কর ব্যবস্থা এবং ট্রেড লাইসেন্স প্রক্রিয়া কি পুরোপুরি ডিজিটাল করার কোনো ডেডলাইন দিয়েছেন? সাধারণ মানুষ কবে নাগাদ ঘরে বসে সব সেবা পাবে?
ডিএনসিসি প্রশাসক: দেখুন, সিটি কর্পোরেশন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা কর বা ট্যাক্সের ওপর নির্ভর করেই পরিচালিত হয়। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর কর আদায়ের প্রক্রিয়া সহজতর করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছি। প্রতি সপ্তাহে ১০টি জোনের সুপারভাইজারদের নিয়ে রিভিউ মিটিং হচ্ছে। এর ফলে কর আদায়ের পরিমাণ আগের চেয়ে বেড়েছে।
আর ট্রেড লাইসেন্স বা জন্ম-মৃত্যু সনদের কথা যা বললেন—এগুলো তো নাগরিক অধিকার। বর্তমানে ট্রেড লাইসেন্স কিন্তু পুরোপুরি অনলাইন। এখানে হয়তো একটা ভুল বোঝাবুঝি আছে। অনেকে মনে করেন অনলাইন থেকে প্রিন্ট করা কাগজটি নিয়ে আবার সিটি কর্পোরেশনে এসে সই করাতে হবে; আসলে তার প্রয়োজন নেই। অনলাইনে নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে যে কিউআর কোড সম্বলিত প্রিন্ট কপিটি বের হয়, সেটিই বৈধ সার্টিফিকেট। এর বাইরেও সেবাগুলো আরও সহজ করার পরিকল্পনা আমাদের আছে।
ভালো সংবাদ: রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার যে ডাক দিয়েছেন, ডিএনসিসি’র প্রশাসক হিসেবে সেই ভিশন বাস্তবায়নে আপনার অগ্রাধিকারগুলো কী কী?
ডিএনসিসি প্রশাসক: প্রথমত, উনি একটি আধুনিক, বাসযোগ্য, সবুজ এবং দুর্গন্ধমুক্ত শহর জনগণের কাছে উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। আমি সেই লক্ষ্যেই কাজ করছি। মশা নিধন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে। জলাবদ্ধতার কথা যদি বলি, আগে মিরপুর ১০ নম্বরে একটু বৃষ্টি হলেই পানি জমে যেত, কিন্তু গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে আমাদের ‘কিউআরটি’ (Quick Response Team) তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করায় জলাবদ্ধতা হয়নি। এছাড়া বর্ষার পরপরই আমরা বড় পরিসরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করব।
ভালো সংবাদ: যানজট নিরসনে প্রস্তাবিত হেমায়েতপুর আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল সাইট পরিদর্শন করেছেন। এটি বাস্তবায়িত হলে মিরপুর ও গাবতলীর ওপর চাপ কতটা কমবে?
ডিএনসিসি প্রশাসক: হেমায়েতপুর বাস টার্মিনালটি আমরা যদি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে পারি, তবে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নাইট কোচগুলোকে আর গাবতলী পর্যন্ত ঢুকতে হবে না। দূরপাল্লার বাসগুলো যখন গাবতলীতে আসবে না, তখন স্বাভাবিকভাবেই ওই এলাকার যানজট অনেক কমে যাবে। গাবতলী টার্মিনাল তখন মূলত সিটি সার্ভিসের জন্য ব্যবহৃত হবে।
ভালো সংবাদ: আপনি মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১ পর্যন্ত ফুটপাত দখলমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু এখানে বিপুল সংখ্যক হকার রয়েছে। তাদের উচ্ছেদ বনাম পুনর্বাসন নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কী?
ডিএনসিসি প্রশাসক: আমি এই এলাকারই সন্তান, তাই মানবিক দিকটি আমি সবার আগে ভেবেছি। আমি নিজে ফুটপাত পরিদর্শন করে হকারদের বুঝিয়ে বলেছি যে, আপনাদের কারণে জনগণের দুর্ভোগ হয়, মানুষ ঠিকমতো হাঁটতে পারে না। সম্প্রতি আমি প্রায় দেড় হাজার হকারের সাথে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মুকুল ফৌজ মাঠে সরাসরি কথা বলেছি। আমি তাদের প্রশ্ন করেছিলাম—যদি অন্য কোথাও বিকল্প ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়, আপনারা কি ফুটপাত ছাড়বেন? তারা একযোগে রাজী হয়েছে। হকারদের প্রতিনিধি, স্থানীয় মুরুব্বি, পুলিশ, ট্রাফিক বিভাগ এবং ডিএনসিসি প্রতিনিধিদের নিয়ে আমি একটি কমিটি করে দিয়েছি। আশেপাশে কোনো খোলা মাঠ বা নির্দিষ্ট জায়গায় তাদের বসার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে যাতে তাদের কাস্টমার পেতে সমস্যা না হয়। তবে ফুটপাত কোনোভাবেই ব্যবহার করা যাবে না—এই অঙ্গীকার তারা করেছে। এরপরও যদি কেউ জোর করে দখল করে রাখতে চায়, তবে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।
ভালো সংবাদ: মিরপুর ও মোহাম্মদপুর অঞ্চলে ‘কিশোর গ্যাং’ এবং মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে আপনার পদক্ষেপ কী?
ডিএনসিসি প্রশাসক: ফ্যাসিস্টরা পালিয়েছে, কিন্তু তাদের রেখে যাওয়া কিছু দুষ্কৃতকারী এখনো রয়ে গেছে। কিশোর গ্যাং, মাদক আর চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অলরেডি বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে। পুলিশ যখন আমাদের কাছে স্থানীয় সহযোগিতার কথা বলেছে, আমরা পূর্ণ সমর্থন দিয়েছি। আমরা চাই আমাদের সন্তানেরা গ্যাং কালচার ছেড়ে খেলার মাঠে গিয়ে শরীরচর্চা করুক, একটি সুন্দর সমাজ গড়ে উঠুক। সরকারকে সহযোগিতা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।
ভালো সংবাদ: ডিএনসিসির তহবিল নিয়ে সাবেক প্রশাসকের একটি বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। আপনার স্পষ্ট বক্তব্য কী?
ডিএনসিসি প্রশাসক: আমি ইতোমধ্যে এই বিভ্রান্তির প্রতিবাদ করেছি। সাবেক প্রশাসক ১২৬০ কোটি টাকার যে কথা বলেছিলেন, তা আসলে সাধারণ তহবিল নয়। আমি ২৫ ফেব্রুয়ারি যোগদানের পর সাধারণ তহবিলে পেয়েছি মাত্র ২৫ কোটি টাকা—যা দিয়ে বেতন-ভাতা এবং উন্নয়ন প্রকল্পের বিল দেওয়া হয়। সাবেক প্রশাসক সম্ভবত সিটি কর্পোরেশনের এফডিআর (স্থায়ী আমানত), শিক্ষা খাত বা অন্যান্য সংরক্ষিত তহবিলের টাকা মিলিয়ে ওই বক্তব্য দিয়েছেন। কিন্তু দৈনন্দিন খরচের জন্য সাধারণ তহবিলে অংকটা ছিল মাত্র ২৫ কোটি।
ভালো সংবাদ: জন্মনিবন্ধন বা মৃত্যু সনদ পেতে ভোগান্তি এবং সার্ভার জটিলতা দূর করতে কী করছেন?
ডিএনসিসি প্রশাসক: সার্ভার জটিলতা মাঝে মাঝে হয়, এটা সত্যি। তবে এই প্রক্রিয়াটি এখন অনলাইনেই হচ্ছে। যারা এই সেকশনে কাজ করেন, তাদের আমি কঠোর নির্দেশনা দিয়েছি যাতে জনগণের এই মৌলিক সেবায় কোনো ভোগান্তি না হয়। জরুরি প্রয়োজনে কাউকে যেন সিটি কর্পোরেশনে এসে ঘুরে যেতে না হয়, সেই বিষয়ে আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি।
ভালো সংবাদ: মশা নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে আপনার নতুন কোনো পরিকল্পনা আছে?
ডিএনসিসি প্রশাসক: ঈদের ছুটির পর ৫৩৪টি স্কুলে আমরা একযোগে মশা নিধনের কাজ করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা আক্রান্ত না হয়। শুধু ওষুধ ছিটিয়ে মশা মারা সম্ভব নয়; ড্রেন, খাল এবং বর্জ্য পরিষ্কার রাখা জরুরি। এজন্য আমাদের ১০টি জোনে ‘কিউআরটি’ কাজ করছে। পরিচ্ছন্ন কর্মীরা আগে শুধু ভোর থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত কাজ করতেন, এখন থেকে শিফট চেঞ্জ করে দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রধান সড়কগুলো পরিষ্কার রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমি নিজেও এটি তদারকি করছি।
ভালো সংবাদ: বিগত প্রশাসনের অনিয়ম এবং ডিএনসিসির অভ্যন্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আপনি কতটা কঠোর?
ডিএনসিসি প্রশাসক: আমি যোগদানের পরপরই সব ডিপার্টমেন্টকে নিয়ে মতবিনিময় করেছি। আমার স্পষ্ট বার্তা ছিল—অতীতে যা হয়েছে হয়েছে, এখন থেকে কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না। আমি নিজে অনিয়ম করব না এবং কাউকে অনিয়ম করতে দেব না। নিয়মতান্ত্রিকভাবে সকলকে জনসেবা নিশ্চিত করতে হবে।
ভালো সংবাদ: আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কি আপনাকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে প্রত্যাশা করা যায়?
ডিএনসিসি প্রশাসক: আমি মিরপুরের সন্তান, এখানেই আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। তাই এলাকাবাসী আমাকে মেয়র হিসেবে প্রত্যাশা করবে, এটা স্বাভাবিক। তবে আমার বড় আস্থার জায়গা হলো দল এবং দলের প্রধান জনাব তারেক রহমান। উনি ঢাকা উত্তরে যাকে মনোনীত করবেন, আমরা তার পক্ষেই কাজ করব। মেয়র প্রার্থী হিসেবে আমার মনোবাসনা থাকতেই পারে, কিন্তু দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
ভালো সংবাদ: নগরবাসী ও পাঠকদের উদ্দেশ্যে আপনার বার্তা কী?
ডিএনসিসি প্রশাসক: একটি সুন্দর ও শান্তিময় দেশ গঠনে সবার সহযোগিতা দরকার। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে আধুনিক করতে হলে নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে। আপনারা ট্যাক্স দেন, সেবা পাওয়া আপনাদের অধিকার। কোটি কোটি মানুষের এই শহরে অনেক সমস্যা হয়তো আমার নজরে আসে না। আমি আপনাদের এবং সাংবাদিক বন্ধুদের অনুরোধ করব—কোথাও কোনো অনিয়ম বা সমস্যা দেখলে আমাদের জানান। আমি সাথে সাথে ব্যবস্থা নেব। যেমন সেদিন রাস্তায় ভিজিটে থাকাকালীন সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলাম একটি ড্রেনের কাজ নিম্নমানের হচ্ছে, আমি সাথে সাথে ঠিকাদারকে খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। আপনাদের সচেতনতাই আমাকে আরও বেশি কাজ করার তাগিদ দিবে।
সমাপ্তি: দীর্ঘ আলাপচারিতায় মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের কণ্ঠে ফুটে উঠেছে আধুনিক ও নিরাপদ ঢাকা গড়ার এক অনমনীয় প্রত্যয়। রাজনীতির লড়াকু সৈনিক থেকে দক্ষ প্রশাসক হিসেবে তাঁর এই উত্তরণ উত্তরের নাগরিকদের মনে এক নতুন আশার আলো জ্বেলেছে। একদিকে যেমন তিনি ফুটপাত দখলমুক্ত করতে আপসহীন, অন্যদিকে হকারদের জীবন-জীবিকার বিষয়েও তাঁর সংবেদনশীলতা প্রশংসনীয়। ‘ভালো সংবাদ’-এর পক্ষ থেকে তাঁর এই অগ্রযাত্রার সাফল্য কামনা করছি।




