বিদেশ
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অতিরিক্ত ছুটি: কর্মীদের প্রতি নমনীয়তা দেখাতে নিয়োগকর্তাদের প্রতি কেসুমার আহ্বান
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘোষিত অতিরিক্ত ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মীদের ছুটির বিষয়ে নমনীয়তা প্রদর্শনের জন্য নিয়োগকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় (কেমুসা)।এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, ঈদুল ফিতরের মতো উৎসব কর্মীদের জন্য পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানোর একটি অত্যন্ত অর্থবহ মুহূর্ত। তাই নিয়োগকর্তারা যদি ছুটির ক্ষেত্রে কিছুটা নমনীয়তা দেখান, তাহলে কর্মীরা পারিবারিক বন্ধন, সম্প্রীতি ও আনন্দের পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, “কর্মীদের কল্যাণের কথা বিবেচনায় রেখে একটি সহানুভূতিশীল ও অগ্রগতিমূলক কর্মসংস্কৃতির অংশ হিসেবে নিয়োগকর্তাদের ছুটির বিষয়ে নমনীয়তা প্রদর্শনের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।”
এর আগে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম ঘোষণা দেন, যদি ঈদুল ফিতর শুক্রবার (২০ মার্চ) পড়ে, তবে সরকার সোমবার (২৩ মার্চ) অতিরিক্ত সরকারি ছুটি ঘোষণা করবে। আর যদি ঈদ শনিবারে হয়, তাহলে শুক্রবার (২০ মার্চ) অতিরিক্ত ছুটি দেওয়া হবে।
সরকারের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো মালয়েশিয়ার জনগণকে নিজ নিজ গ্রামে বা শহরে ফিরে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আরও স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপনের সুযোগ করে দেওয়া। কেসুমা জানায়, অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণার বিষয়টি হলিডে অ্যাক্ট ১৯৫১ (অ্যাক্ট ৩৬৯) অনুযায়ী সরকারের ক্ষমতার আওতায় পড়ে, যেখানে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি ছুটি ঘোষণা করতে পারে। এছাড়া ঘোষিত এই ছুটি বেসরকারি খাতের কর্মীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, যা এমপ্লয়মেন্ট অ্যাক্ট ১৯৫৫ (অ্যাক্ট ২৬৫)-এর ধারা ৬০ডি অনুযায়ী কার্যকর হবে।
তবে আইন অনুযায়ী, নিয়োগকর্তারা চাইলে ঘোষিত সরকারি ছুটির পরিবর্তে অন্য কোনো দিনকে বিকল্প বেতনসহ ছুটি হিসেবে নির্ধারণ করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ছুটির ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে কর্মীদের আগে থেকেই অবহিত করতে হবে। মন্ত্রণালয় আরও জানায়, যদি কোনো কর্মীকে ঘোষিত সরকারি ছুটির দিনেও কাজ করতে হয়, তাহলে তিনি এমপ্লয়মেন্ট অ্যাক্ট ১৯৫৫ অনুযায়ী সরকারি ছুটির দিনের নির্ধারিত হারে অতিরিক্ত পারিশ্রমিক পাওয়ার অধিকারী।



