লাইফস্টাইল

শীতে শুষ্ক হাত? ৭ ঘরোয়া প্রতিকার

ছবি: ভালোসংবাদ
ছবি: ভালোসংবাদ

হাতের ত্বক শুষ্ক হলে তা দেখতে রুক্ষ দেখায়। হাত শুষ্ক হওয়ার অবশ্য বেশ কিছু কারণ হয়েছে। ঠাণ্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়া, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি, বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য, ময়লা ও অযত্নের কারণে হাত শুষ্ক হয়। আর যদি প্রাকৃতিকভাবেই আপনার হাতের ত্বক শুষ্ক হয়, তাহলে তো কথাই নেই!

এ থেকে পরিত্রাণের উপায় খুঁজছেন? স্বাস্থ্য ও জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শীতে হাতের ত্বক আরো শুষ্ক, ফাটা ও রুক্ষ হতে পারে। তবে হাতের নাগালেই প্রতিকারের উপায় রয়েছে। আসুন, তাহলে জেনে নিই সাত ঘারোয়া উপায় সম্পর্কে—

মধু

সেরা প্রাকৃতিক প্রলেপ হচ্ছে মধু। এটি শুধু ত্বককে ময়েশ্চারাইজই করে না, এতে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে কোমল, তারুণ্যে ভরা ও উজ্জ্বল রাখে। হাত শুষ্ক হলে মধু মাখুন। এরপর ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে দিন। পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

দুধের সর ও মধু

দুধের সরে রয়েছে ল্যাকটিক, যা ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে। দুধের সর ও মধু ব্যবহারে হাতের ত্বক আরো নমনীয় হবে। এক টেবিল চামচ দুধের সর ও এক টেবিল চামচ মধু একটি বাটিতে নিয়ে ভালোভাবে মেশান। মিশ্রণটি হাতে মাখুন। এরপর ২০ মিনিট রেখে দিন। ২০ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

অ্যালোভেরা

সারা দিন হাতের ত্বকে কোমলতা চান? তাহলে অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী মাখুন। অ্যালোভেরায় থাকা প্রাকৃতিক উপাদান ত্বকের অন্যতম সেরা ময়েশ্চারাইজার। এটি ত্বককে মসৃণ করে। সূর্যরশ্মির কারণে শুষ্ক হওয়া হাতকে সহজেই আর্দ্র করে এবং যেকোনো ব্যথা বা অস্বস্তি থেকে মুক্তি দেয়। তাজা অ্যালোভেরা নিন। এর জেল পুরো হাতে ম্যাসাজ করুন। যতক্ষণ না জেলের পুরোটা হাত শুষে নেয়, ততক্ষণ রেখে দিন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।

ওটমিল

ওটমিলকে প্রোটিনের আকর বলা হয়। এটি শুধু সুস্বাস্থ্যের জন্যই নয়, ত্বকও ভালো রাখে। ওটমিল হাতের মৃত কোষ দূর করে রুক্ষতা থেকে মুক্তি দেয়। এক কাপ ওটমিল হালকা গরম পানিতে দিন। এরপর মিশ্রণ করুন। পরে পুরো শরীরে অথবা শুধু হাতে মাখতে পারেন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। দেখুন চমক।

নারকেল তেল

নারকেল ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ। নারকেলের তেল ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং ত্বককে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। নারকেল তেল হাতের ত্বকে মাখান। যতক্ষণ না শুষে নেয়, ততক্ষণ ম্যাসাজ করতে থাকুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন পার্থক্যটা।

পেট্রোলিয়াম জেলি

ত্বকের অন্যতম সেরা ময়েশ্চারাইজার পেট্রোলিয়াম জেলি। এটি ত্বককে আর্দ্র রাখে। পেট্রোলিয়াম জেলি হাতে মাখান এবং ম্যাসাজ করুন। কয়েক ঘণ্টা ধোবেন না, যাতে এটি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করতে পারে।

দই ও মধু

দইয়ে রয়েছে ল্যাকটিক, যা ত্বক শুষ্ক হওয়া থেকে রক্ষা করে। মধু ত্বককে মসৃণ করে। আর এ দুইয়ের সংযুক্তি দেয় ভিন্ন মাত্রা। একটা কাপ দই ও এক টেবিল চামচ মধু একটি বাটিতে মেশান। এরপর মিশ্রণটি পুরো হাতে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে দিন। পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

এমন আরো সংবাদ

Back to top button