হিরো অফ দি ডে

ইউএস প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন অ্যাওয়ার্ড পেলেন পাঁচ সাংবাদিক

 ইউএস প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন পাঁচ বাংলাদেশি সাংবাদিক। ছবি : সংগৃহীত
ইউএস প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন পাঁচ বাংলাদেশি সাংবাদিক। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত পাঁচ বাংলাদেশি সাংবাদিককে তাঁদের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ইউএস প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। পুরস্কার পাওয়া সাংবাদিকেরা হলেন— সাপ্তাহিক পরিচয়ের সম্পাদক নাজমুল আহসান, দৈনিক প্রথম আলোর নিউইয়র্কের ব্যুরো প্রধান ইব্রাহীম চৌধুরী, একাত্তর টিভি ও কালের কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি শামীম আল আমিন, সময় টেলিভিশন ও যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি হাসানুজ্জামান সাকি এবং আওয়াজ বিডির সম্পাদক শাহ জে আহমেদ।

করোনা মহামারির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনটি ছিল নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনকে ঘিরে চ্যালেঞ্জও ছিল বহুমুখী। বৈরি পরিস্থিতিতে নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহ ও প্রচারের ক্ষেত্রে বিশেষ কৃতিত্ব দেখানোর জন্যে প্রবাসের খ্যাতিমান পাঁচ সাংবাদিককে পুরস্কার দিয়েছে নিউইয়র্কের জনপ্রিয় রেডিও চ্যানেল এফএম সেভেন এইট সিক্স। করোনা মহামারির কারণে  আয়োজনটি করা হয় অনলাইনে। সরাসরি সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়েছিলেন ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগের প্রধান রোকেয়া হায়দার এবং ভারতে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার ফরিদ হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রেডিও চ্যানেল এফএম সেভেন এইট সিক্স-এর পরিচালক মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ।

জাহান অরণ্যের সঞ্চালনায় এক ঘণ্টার আয়োজনটি শুরু হয় বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। বর্তমান পরিস্থিতিতে গোটা বিশ্বে করোনা মহামারিতে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়েছে, অনেকে সংক্রমিত হয়ে লড়ছেন—অনুষ্ঠানে সহমর্মিতা জানানো হয় তাদের প্রতিও।

সাংবাদিক রোকেয়া হায়দার পুরস্কার পাওয়া পাঁচ সাংবাদিককে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এটি অসাধারণ একটি উদ্যোগ। এর মধ্য দিয়ে সাংবাদিকদের তাঁদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের প্রতি সবার দৃষ্টি থাকে। তার ওপর এবারের নির্বাচনটি ছিল ঘটনাবহুল।

সাংবাদিক রোকেয়া হায়দার আরো বলেন, এই নির্বাচনের প্রক্রিয়া বুঝে, সেটা সবার জন্যে পরিবেশন—সহজ কাজ নয়। এই কাজটি কৃতিত্বের সঙ্গে করার জন্যে তিনি পাঁচ সাংবাদিককে ধন্যবাদ জানান। সেইসঙ্গে ভবিষ্যতে পুরস্কারপ্রাপ্ত তালিকায় নারী সাংবাদিকদেরও দেখা যাবে, এমন প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন রোকেয়া হায়দার।

ফরিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের মহান বিজয়ের দিনে প্রবাসে সাংবাদিকদের কৃতিত্বের জন্যে পুরস্কৃত করার উদ্যোগ ভিন্ন মাত্রা যুক্ত করেছে। তিনি বলেন, বাংলা ভাষায় বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকতা করছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। এতে করে পেশার মান ও উৎকর্ষ বাড়ছে। ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান তিনি।

আয়োজক প্রতিষ্ঠান রেডিও চ্যানেল এফএম সেভেন এইট সিক্স-এর পরিচালক মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, খুব ইচ্ছা ছিল অসংখ্য মানুষের উপস্থিতিতে কৃতি সাংবাদিকদের সম্মানিত করার। কিন্তু সেটা সম্ভব হলো না করোনার কারণে। তবে পরিস্থিতি ভালো হলে নিউইয়র্কে একটি বড় অনুষ্ঠান করে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

ভিডিও প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে বিজয়ী পাঁচ সাংবাদিকদের জীবনকর্ম তুলে ধরা হয় অনুষ্ঠানে। নিজেদের অনুভূতিও প্রকাশ করেন বিজয়ীরা।

এমন আরো সংবাদ

Back to top button