জলবায়ু পরিবর্তনহাইলাইটস

সিঙ্গেল ব্যবহার্য প্লাস্টিক তৈরি ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা হবে

সংসদে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী

সংসদে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সিঙ্গেল ব্যবহার্য প্লাস্টিক তৈরি ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। গতকাল ‘বিধি-৭১’-এ সরকারি দলের সদস্য ফেরদৌস আহমেদের আনা মনোযোগ আকর্ষণীয় নোটিসের জবাবে তিনি জাতীয় সংসদে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করে একটা দৃষ্টান্ত সৃষ্টির আহ্বানও জানান। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘সংসদে প্রথমে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক বন্ধ করার মাধ্যমে সারা দেশে একটা প্রশংসনীয় উদ্যোগ সৃষ্টি হবে, ভালো দৃষ্টান্ত হবে। যারা এ অবৈধ পণ্যগুলো তৈরি করবে, তাদের আমরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে সংযুক্ত করতে চাই। সে তালিকা বা রুলস আমরা তৈরি করছি। একই সঙ্গে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় করছে।’

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশে প্রতিদিন ৩০ হাজার টন কঠিন বর্জ্য তৈরি হচ্ছে। ঢাকায় প্রতিদিন তৈরি করছি প্রায় সাত হাজার টন। যার ১০ শতাংশ এ প্লাস্টিক বর্জ্য। আমরা আগামী দুই বছরে ৯০ শতাংশ প্লাস্টিক ব্যবহার হ্রাসের পরিকল্পনা করেছি। সিঙ্গেল ব্যবহার্য প্লাস্টিকের তালিকা করব। এটার উৎপাদন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে চাই। সেই সঙ্গে আমরা আমাদের আচরণ পরিবর্তন করতে চাই। আর সিঙ্গেল ব্যবহার্য প্লাস্টিক এতটাই সহজলভ্য, এটা সব জায়গায় পাওয়া যাচ্ছে। তবে আমরা সব সময় ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদের অন্য এক প্রশ্নের জবাবে সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘ঢাকা শহরে যেকোনো স্থানে প্লাস্টিক বর্জ্য যত্রতত্র পোড়ানোর কারণে টক্সিন, ডায়াক্সিন, সালফার ডাই-অক্সাইড, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাস তৈরি হয়, যা মরণব্যাধি ক্যান্সারের কারণ। আমি শঙ্কিত—প্লাস্টিক বর্জ্য হাজারীবাগের খাল, আমার এলাকার বিভিন্ন স্কুলের মাঠে রাখা হয় ও পুড়িয়ে ফেলা হয়, এটা রোধে কী ভাবনা মন্ত্রীর?

জবাবে মন্ত্রী সাবের চৌধুরী বলেন, ‘এ ধরনের প্লাস্টিক পোড়ানোর অধিকার কাউকে দেয়া হয়নি। কিছুদিন আগে আমি স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম। ঢাকা সিটি করপোরেশনের খুব পাশের একটি জায়গায় সেটা পোড়ানো হয়। তা সচিবালয় থেকে আমরা লক্ষ করেছিলাম। অথচ এসব বর্জ্য পোড়ানোর বিরুদ্ধে অনেকগুলো আইন আছে। কিন্তু আমরা তা কার্যকর করতে পারছি না। এটা আমাদের দেখা দরকার। বায়ুদূষণের ক্ষেত্রে ঢাকা পৃথিবীর দুই বা তিনটি দেশের শীর্ষে থাকে। সেটার কারণ হচ্ছে পলিথিনের দূষণ ও পোড়ানো।’

এমন আরো সংবাদ

Back to top button