শিক্ষা

জেডএনআরএফ  ইউনিভাসিটি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস এর ষষ্ঠ  প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সারাদিন ব্যাপী অনন্দ উৎসব

TAWHEED (ADVERB GROUP)জেডএনআরএফ ইউনির্ভাসিটি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস  বিশ্ববিদ্যালয়এর ষষ্ঠতম প্রতিষ্ঠা বাষির্কী উদযাপন উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় অডিটরিয়ামে আজ আয়োজন করা হয়েছিল এক বর্নিল আনন্দ উৎসব। এই উৎসবটি দুই পর্বে ভাগ করে পরিচালনা করা হয়। প্রথমভাগে ‘’ মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে  বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের এক বিশেষ আড্ডার’’। আয়োজন করা হয়। দ্বিতীয় পর্বে শিক্ষাথীদের অংশগ্রহণে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রথম পর্বের এই আড্ডাটি একেবারেই অনানুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অড্ডায় শিক্ষাথীদের সাথে যোগ দিয়েছিলেন– নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু , ঢাকা উওর মুক্তিবাহিনীর কোম্পানী কমান্ডার, একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নাট্য ও চলচিত্র নির্দেশক, ঢাকা থিয়েটার, বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, একাত্তরের যিশু, গেরিলা সহ মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক বিভিন্ন সিনেমার পরিচালক। উনি ভারচুয়ালী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। লিনু বিল্লাহ, বিশিষ্ঠ কন্ঠশিল্পী, ২নং সেক্টরের ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা । শফিকুল ইসলাম স্বপন, অনেকগুলি জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচিত্র ও আলোকচিত্র শিল্পী এবং ২নং সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা। শাহাব আবদুল্লাহ, নরসিংদি, মনোহরদি, শিবপুর এলাকার ২ নং সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা।  মনিরুল ইসলাম, তিনবারের সাংসদ, ৯নং সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা।  মিজান আহমেদ, ঢাকা পূর্ব এলাকার ২নং সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা।  হেলাল তসলিম, y platoon, আজিমপুরের সজীব গ্রুপের ২নং সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা।  মুজিবর রহমান, সুন্দরবন এলাকার ৯নং সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা। আলী আফসার, ঢাকা উত্তর বাহিনীর ২ নং সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা। মানিকলাল সমাজদার, বরিশালের পেয়ারা বাগান এলাকার ৯নং সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা। জাহেদুল মাহমুদ জামী, যুদ্ধবন্দী এবং ঢাকা উত্তর বাহিনীর ২নং সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা । অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকার প্রতি দাড়িঁয়ে সকলে সস্মান প্রদর্শন করে মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জুবায়দুর রহমান স্বাগত বক্তব্য দেন্।
 আজকেরই এই আড্ডা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন রুমা হালদার, পরিচালক আই কিউএসি।
আড্ডার শুরুতে নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের রাতের ঘটনাবলী সহ মুক্তিযুদ্ধের অংশগ্রহন সম্পর্কে তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের দেশ গঠনের আদর্শকে কাজে লাগিয়ে দেশ গঠনের আহবান করেন।
এরপর শাহাব আব্দুল্লাহ তার বন্ধু মঈদুল ইসলাম চুনীর সাথে একত্রে ট্রেনিং ক্যাম্পের অভিজ্ঞতা ও সম্মুখ যদ্ধের বর্ননা দেন।  তিনি ছাত্রছাত্রীদের মুক্তিযোদ্ধদের রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শনের তথ্য উৎথাপন করেন।
বীরমুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম স্বপন তিনি ১৯৭১ সালের গেরিলা ট্রেনিং শেষ করে বাংলাদেশে প্রবেশের ভয়ানক স্মৃতির কথা স্বরণ করে শিক্ষাথীর সাথে এক আবেগঘন ঘটনা শেয়ার করেন।
হেলাল তাসলিম তিনি কিশোর বয়সে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন বলে জানান। তিনি একটি কিশোরের দৃষ্টিতে মুক্তিযুদ্ধের বর্ননা দেন।
মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সুন্দরবনে পাকবাহীনির বিরুদ্ধে এক গেরিলা যুদ্দের বর্ননা দেন।
K‡b©j †ZŠwdKzi ingvb, exi gyw³ †hv×v XvKv DËi I 2 bs ‡m±i , †Mwijv Ae XvKv eBwUi iPwqZv, তিনি রেগুলার ফোর্স এবং মাইনর অপারেশন সম্পের্কে শিক্ষোর্থীদের ধারণা দেন। তিনি ১৯৭১ এবং তার পূর্ব সময়ে পশ্চিম পাকিস্তানীরা পূর্ব পাকিস্তানীদের মধ্যকার বৈষম্যগুলো তুলে ধরেন।
 এরপর জাহেদুল মুাহমুদ যামী বীর যুদ্ধ বন্দী এবং ২ নং সেক্টরের মুক্তযোদ্ধা। তিনি মুক্তযুদ্ধ শুরুর আগে তিনি এবং তার সহযোগীরা ঢাকার বিএনআর (ব্রূর অব ন্যাশনাল রিকনষ্ট্রাকশন) এর অফিসে বেমা হামলা কনরন। এরপর ২৫শে মার্চের রাত থেকেই অস্ত্র সংগ্রহ করে রাজারবাগ পুশলশ থেকে অস্ত্র সংগ্রহণ করে জিঞ্জিরায় অবস্থান নেন। এরপর স্থানীভাবে তিনি বিভিন্ন অপারেশনে অংশ গ্রহণ করেন। তাকে পাকিস্তানী সেনাবাহীনি  তুলে নেয় এবং  বন্দী অবস্থায় অকথ্য নির্যাতনর করে।  পরবর্তীতে যুদ্ধবন্দী হিসাবে মুক্তি পেয়ে ঢাকা উত্তর মুক্তিবাহীনির সাতথ যোগদান করেন। এই সময়ের কয়েকটি অপারেশনের কথা কর্না করেন। তারা কত কষ্টের মধ্য দিয়ে অর্জন করেছেন তা  র্বননায় উঠে আসে দেন। তিনি  এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ট্রাষ্টি।
বীর মুক্তিযোদ্ধা লিনু বিল্লাহ যুদ্ধবন্দী অবস্থায় পাকবাহীনির হাত নির্যাতনের অভিজ্ঞতার শেয়ার করেন। এবং কিভাবে তিনি তার তিন ভাইকে নিয়ে মুক্তি পান তার বর্ননা দেন।
এই পর্বের শেষভাগে লিনু বিল্লাহ তার দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে টেলিভিশনে তার প্রথম গান ও আমার বাংলা মা তোর- গানটি গেয়ে ছাত্রছাত্রীদের কাছে দেশ স্বাধীনের আনন্দ উচ্ছাস প্রকাশ করেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল ইসলাম উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে ইউনির্ভাসিটি অব ম্যানেজমেন্টট সায়েন্সকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে এই পর্বের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
দুপুরের পরে ছাত্রছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উপলক্ষ্যে এক বর্নিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা নাচ, গান, কবিতা এবং কৌতুক প্রর্দশন করে। এই সাংস্কৃতিক অনষ্ঠানেটি  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ ষ্ট্রাষ্টি বোর্ড মেম্বাররাও উপস্থিত ছিলেন। এই বিনোদন অনুষ্ঠানটি কেক কাটার মধ্যদিয়ে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

এমন আরো সংবাদ

Back to top button