লাইফস্টাইল

মানসিক চাপমুক্ত থাকতে চান? টাকা জমান

মানসিক চাপমুক্ত থাকতে চান? টাকা জমানআপনি কর্মজীবী মা হোন, গৃহিণী হোন অথবা একক নারী, আপনাকে স্বনির্ভর হতে হবে। মানে আপনার কাছে টাকা থাকতে হবে। আপনি যদি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হন, তাহলে আপনার জীবনযাত্রা একরকম হবে। আর এর উল্টোটা হলে জীবনযাত্রাও উল্টো হবে। তাই আপনাকে স্বতন্ত্র হতে হলে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে। খাস বাংলায় টাকা থাকতে হবে।

তো নিশ্চয়ই আপনি চান না পরনির্ভরশীল হতে। কিন্তু কীভাবে টাকা জমাবেন? ভারতের ফ্যাশন ও জীবনধারাবিষয়ক বিখ্যাত সাময়িকী ফেমিনা এক প্রতিবেদনে কিছু পরামর্শ দিয়েছে। আসুন, কয়েকটিতে চোখ বুলাই—

বিনিয়োগ করুন

অনেকে মনে করেন, মেয়েরা জন্মগতভাবে অর্থব্যবস্থাপক। তাঁরা সুশৃঙ্খল, ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন ও সিদ্ধান্তে অনেকটাই চাপমুক্ত। তাই কোনও নারী যদি কোথাও বিনিয়োগ করেন, তা জেনেবুঝেই করবেন। তার শুরুটা হতে পারে সঞ্চয় হিসাব (সেভিংস অ্যাকাউন্ট) অথবা স্থায়ী আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট)। এফডি করলে আপনি নিশ্চয়ই মাসে মাসে তা থেকে লভ্যাংশ পাবেন। সঞ্চয় হিসাবে টাকা জমবে। এ ছাড়া অনেক উপায় আছে, নারীরা তা জানেন।

সোনা

আপনি সোনা কিনতে পারেন। একসময় টাকার বিকল্প সোনা ভাবা হতো। এখনও হয়। সোনা কিনে খুব কম মানুষই ঠকে।

রিয়েল এস্টেট

যে বাসায় আপনি থাকেন, মোদ্দা কথা ভাড়া যদি থাকেন, তবে তাতে কোনও লাভ নেই আপনার। আপনাকে অবশ্যই টাকার ব্যাপারে বিনিয়োগ কথাটা মাথায় রাখতে হবে। অনেক রিয়েল এস্টেট কোম্পানি আছে, যারা এটিকে বিনিয়োগের চোখে দেখে। আপনি সম্পত্তি কিনতে পারেন।

আর্থিক নিরাপত্তা

নিজের আর্থিক নিরাপত্তার কথা ভুলবেন না। দুঃসময়ে এটি আপনার পাশে দাঁড়াবে। হ্যাঁ, বন্ধু বা সহকর্মী নয়; এরা প্রতারণা করলেও টাকা আপনার পাশে থাকবে, প্রতারণা করবে না। অন্তত ছয় মাসের খরচ জমা রাখুন। যাতে যে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হয়। এই ছয় মাসের মধ্যে আপনি নিশ্চয়ই উপার্জনের উপায় খুঁজে পাবেন। আপনি ইনস্যুরেন্সও করতে পারেন।

আয় ও খরচ সম্পর্কে সচেতন হোন

ভুলে থাকলে চলবে না যে আপনার মাসিক আয় কত আর কতই বা খরচ করেন। এ দুইয়ের মধ্যে একটা সমন্বয় তৈরি করুন, যাতে ব্যয় করার পরে কিছুটা হলেও উদ্বৃত্ত থাকে।

লেখাপড়া করুন, নিজেকে আপডেট করুন

স্বাধীনচেতা মানুষ মাত্রই নিজেকে আপডেট করেন। আর এর জন্য নিশ্চয়ই লেখাপড়া খুব খুব জরুরি। শুধু অন্যের ওপর ভরসা করবেন না, সে যতই আপনার কাছের হোন। দিনশেষে আপনার যোগ্যতাই বড় হয়ে দাঁড়াবে, দলদাস হতে হবে না।

এমন অনেক পরামর্শই হয়তো আমরা দিতে পারব। কিন্তু আপনি নিশ্চয়ই আপনার জীবন ও কী অবস্থায় আছেন, তা সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত। তাই নিজেই ভাবুন, আপনি আত্মনির্ভরশীল হতে চান কি না। যদি চান, তবে নিজের মতো করে আরও উপায় খুঁজে বের করুন। স্বাবলম্বী হোন আর নির্ভরতা এড়ান।

ভালো সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন

এমন আরো সংবাদ

Back to top button